Skip to content

শীতের মরসুমে পিকনিক করে আসুন এই সুন্দর গ্রামটিতে, সৌন্দর্য এতটাই যে আপনার মন জুড়িয়ে যাবে!

    img 20230103 203312

    শীতের মরসুমে প্রত্যেকেরই মন চায় অল্প দিনের জন্য সস্তায় কোথাও ঘুরে আসতে কিংবা নিজের বন্ধুদের সাথে জমিয়ে কোথাও পিকনিক করতে। আর যদি খোলা মাঠে নদীর ধারে পিকনিক করার সুযোগ হয় তাহলে তো সেটার মজাই আলাদা। সেই জন্য আজ এই প্রতিবেদনে এমন কয়েকটি জায়গার নাম বলব (Best Tourist Place In West Bengal)
    যেখানে আপনি স্বল্প খরচে পরিবারের সাথে ঘুরে আসতে পারেন। চলুন এবার জায়গাটি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

    Tourist places

    শহরের ভিড় কোলাহল থেকে বাঁচতে চান? তাই এই শীতের মরসুমের সমস্ত কোলাহল ছেড়ে আপনি পরিবারসহ কিংবা বন্ধু-বান্ধব নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন হাওড়ার দেউলটি গ্রামে (Deulti)।  এখানে শান্ত এবং নিরিবিলিতে ভরা সৌন্দর্যপূর্ণ মনোরম সকলের মনকে আকর্ষণ করে।

    Rice

    রূপনারায়ন নদীর কূলে অবস্থিত এই দেউলটি গ্রামে একটি পিকনিক স্পট রয়েছে (Deulti Picnic Spot), যেখানে বছরের বিভিন্ন সময় মানুষ এসে ভিড় জমায়। এছাড়াও এই গ্রামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিশেষত্ব হল এই গ্রামের মাটিতে জন্ম নিয়েছিলেন কথাসাহিত্যিক তথা বাংলা শ্রেষ্ঠ কবি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়  (House Of Sarat Chandra Chattapadhhayay)। দেউলটির পানিত্রাসের সামতাবেড় গ্রামে এই মহান ব্যাক্তির বাড়ি অবস্থিত।

    Crowd

    কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িটি দেউলটি স্টেশন থেকে একেবারে ৩ কিলোমিটার ভেতরে অবস্থিত। জীবনের শেষ সময়টুকু কথাশিল্পী এই বাড়িতে কাটিয়েছিলেন। বেশ কিছু বছর আগে রাজ্য সরকার এই বাড়িটিকে ভালোভাবে সংরক্ষণ করে এবং এটিকে একটি পর্যটক কেন্দ্র (Tourist Place) হিসেবে গড়ে তোলে। এছাড়াও জানা যায় এটাই শরৎচন্দ্রের সমাধিস্থল। বাড়িতে সম্পূর্ণ টালি দিয়ে সাজানো এবং কাঠের আসবাবপত্রে ভরা। এখানে সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ, পাখির ডাক এবং গাছের সমাহার আপনাকে মুগ্ধ করবে।

    See also  আম্বানি পরিবারের ড্রাইভার হতে গেলেও দিতে হয় কঠিন পরীক্ষা, পাস করলে পাবেন মাসে ২ লাখ টাকা বেতন!

    House

    আপনিও যদি হাওড়া থেকে এই স্থানে যেতে চান তবে দুইভাবে যেতে পারেন।  যদি আপনি ট্রেনে করে যেতে চান তবে হাওড়া থেকে যেকোনো মেদিনীপুর লোকাল ট্রেনে আপনাকে উঠতে হবে এবং দেউলটি স্টপিজে নামতে হবে। আর যদি আপনি সড়ক পথে যাত্রা করতে চান তবে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে আপনি দেউলটি পৌঁছাতে পারেন। সে ক্ষেত্রে হাওড়া থেকে যেতে দু’ঘণ্টা সময় লাগে। তাহলে আপনিও এবার স্বপরিবারে দেউলটি ঘুরে আসুন।