Skip to content

Ratan Tata: হঠাৎ মাঝ আকাশে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ইঞ্জিন! নিজের বুদ্ধির জেরে শেফ ল্যান্ডিং করেছিলেন রতন টাটা

    রতন টাটা (Ratan Tata) হলেন আমাদের দেশের গর্ব। দেশের যেকোনো সংকটে নির্দ্বিধায় পাশে দাড়ান এই জনদরদি মানুষটি। এত বড় টাটা সংস্থার চেয়ারম্যান হয়েও সাধারণ মানুষের মতো জীবন যাপন করেন। এই মহান মানুষটির জীবন কাহিনী থেকে আপনিও প্রেরণা নিতে পারেন। যে কোন খবরে কাগজ ও ম্যাগাজিন বেরোলেই রতন টাটার জীবন কাহিনী উল্লেখ থাকে। তিনি একবার পিয়ানো বাজানোর ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন যা খবরের শিরোনামে উঠে। তাছাড়াও আপনি জানলে অবাক হবেন রতন টাটা স্যার এবার বিয়ে করার প্রস্তুতি নিলেও তিনি এখনো অবিবাহিত। সে কথা যাক এখন আসা যাক মূল কথায়।

    Ratan tata

    আপনি হয়তো জানেন না রতন টাটার কাছে রয়েছে পাইলটের লাইসেন্স। এক রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যায় যে রতন টাটা মাত্র 17 বছর বয়সে পাইলটের লাইসেন্স পেয়ে গিয়েছিলেন। এবং কলেজ জীবনে একবার হেলিকপ্টার ওড়ানোর সময় একটুর জন্য প্রাণে বেঁচে যান। সেই সময় তিনি একটি ইঞ্জিন বিশিষ্ট একটি হেলিকপ্টার উড়ানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু হেলিকপ্টার যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দেওয়ার ফলে ল্যান্ডিং করার সময় বড় সমস্যার হন রতন টাটা। রতন টাটা নিজে একথা বলেন যে, ”আমার হেলিকপ্টার একেবারেই জলের উপরে উড়ছিল।

    রতন টাটা

    সেই সময় ল্যান্ডিং করাতে আমার খুব সমস্যা হয়েছিল। আমরা তিন সহপাঠী সেই সময় প্রাক্টিস করেছিলাম। হঠাৎ মাঝ আকাশে হেলিকপ্টারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। আমি কোনোক্রমে হেলিকপ্টার ল্যান্ডিং করিয়েছিলাম। আমরা প্রথম প্রথম সার্কিট ট্রেনিং নিয়ে অনলাইন প্র্যাকটিস করতাম। প্রথমদিন ল্যান্ডিং করার পর ব্যাপারটি খুব সহজ মনে হয়েছিল, কিন্তু দ্বিতীয় দিন যখন তিন সহপাঠীকে নিয়ে ল্যান্ডিং করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম তখন বড় সমস্যার সম্মুখীন হই। এই পরিস্থিতিতে আবার তিন সহপাঠী মানসিকভাবে শান্ত ছিল। এই বিষয়টি আমাকে মানসিকভাবে স্থির থাকতে বিশেষ সাহায্য করেছিল। এবং অবশেষে আমি সফলভাবে হেলিকপ্টারটি ল্যান্ডিং করতে সক্ষম হই।”

    See also  শিল্পপতি মুকেশ আম্বানির পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের শিক্ষাগত যোগ্যতা কতদূর?