Skip to content

একসময় লিপস্টিক বিক্রি করে চালাতেন ঘর, আজ মোট সম্পত্তির পরিমাণ দেখলে লজ্জা পাবে ধনকুবেরাও

    একজন ব্যক্তির মধ্যে একটি বিশেষ জিনিস রয়েছে যেটা তার সংগ্রাম এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তার নিজস্বতা তৈরি করে।  সংগ্রামের এই গল্পের প্রধান চরিত্র বলিউডের সার্কিট অর্থাৎ আরশাদ ওয়ার্সি (Arshad Warsi)। আরশাদ (Arshad) সেই অভিনেতাদের মধ্যে একজন যারা বলিউডে কোনো ফিল্মি ব্যাকগ্রাউন্ড ছাড়াই নিজেদের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন।

    সেলসম্যান হিসাবে তার ক্যারিয়ার জীবন শুরু হয়। আরশাদ (Arshad) খুব কমই জানেন যে বলিউডে তার জন্য একটি ভিন্ন গল্প লেখা হয়েছে।  সংসারের খরচ চালাতে ও স্বপ্ন পূরণের কষ্টের দিনগুলোতে আরশাদকে (Arshad) সেলসম্যানের কাজ করতে হয়েছে।

    Arshad Warsi

    আরশাদ ওয়ারসি (Arshad Warsi), যাকে বলিউডে সার্কিট বলা হয়, ১৯৬১ সালের ১৯ এপ্রিল মুম্বাইয়ে জন্মগ্রহণ করেন।  আরশাদ ওয়ারসির পুরো শৈশবই ছিল সংগ্রামী।  শৈশবে আরশাদ ওয়ার্সি তার বাবা-মাকে হারিয়েছিলেন, তার পরে আরশাদ ওয়ার্সি দশম শ্রেণির পর পড়াশোনা ছেড়ে দেন।  ১৭ বছর বয়সে আরশাদ তার চাহিদা মেটাতে এবং সংসারের খরচ চালাতে কসমেটিক সামগ্রী বিক্রি শুরু করেন।

    বাসে লিপস্টিক বিক্রির কাজ করতেন।  এরপর তিনি ঘরে ঘরে প্রসাধনী বিক্রি শুরু করেন।  কিন্তু তার ভাগ্যে অন্য কিছু অনুমোদিত ছিল।  তিনি ফটো ল্যাব এবং নাচের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন, তারপরে তিনি ফটো ল্যাবে কাজ শিখেন এবং একটি নাচের দলে যোগ দেন।

    Arshad Warsi

    আরশাদ ১৯৪৭ সালে একজন সহকারী পরিচালক হিসেবে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন।  ১৯৯৩ সালে, তিনি রূপ কি রানি চোরন কা রাজা ছবির টাইটেল ট্র্যাক কোরিওগ্রাফ করার সুযোগ পান।  তার কঠোর পরিশ্রম ফলপ্রসূ হয় এবং আরশাদ তেরে-মেরে সপনে চলচ্চিত্রের প্রধান অভিনেতা হিসেবে নায়ক হিসেবে চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন।

    See also  এশিয়ার ৭ টি সেরা বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে পড়া যে কোন ছাত্রের স্বপ্ন!তালিকায় রয়েছে বাংলার এই বিশ্ববিদ্যালয়

    আরশাদের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় টার্নিং পয়েন্ট আসে ২০০৩ সালে।  আর একই বছর মুন্নাভাই এমবিবিএস ছবিতে বড় ব্রেক পান তিনি।  এই ছবিতে তার অভিনীত সার্কিটের চরিত্রটি অনেকেই পছন্দ করেছেন।  আরশাদ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন।  ছবিটি হিট হওয়ার পর আরশাদের জন্য চলচ্চিত্রের লাইন ছিল।  আরশাদ তার কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার জোরে আজ বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন। আজ বিলাসবহুল বাড়ি সহ নিজের কাছে রয়েছে দুটি কোটি টাকার গাড়ি। মুম্বাইয়ে রয়েছে গেস্ট হাউস। আজ মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় 300 কোটি টাকা।