পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দিরে বছরের পর বছর ধরে ঘটে আসছে একাধিক অলৌকিক ঘটনা, যা সত্যিই চিন্তার বাইরে

Loading...

করোনা কোপ বসালেও পুরীর রথযাত্রা থেমে থাকতে পারে না। এবছরও তার অন্যথা হবে না। আচার অনুষ্ঠান সঙ্গে কোভিড বিধি মেনেই পুরীর রথযাত্রা পালিত হবে। শুধু থাকতে পারবেন না ভক্তরা। জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা দিয়ে পুরীতে ইতিমধ্যে আচার বিধি পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে। এই বিখ্যাত উৎসব এর মধ্যেও পুরীর মন্দিরের বেশ কিছু রহস্যময় অলৌকিক ঘটনা ঘটে থাকে। যেকোনো জানলে আপনার বিশ্বাস নাও হতে পারে , কিন্তু সবই জগন্নাথ দেবের মহিমা। কিছু অলৌকিক ঘটনা আসুন বিস্তারিত জেনে নিন।

•সুদর্শন চক্র

Loading...

পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দির এর উপর একটি কুঁড়ি কেজি ওজনের সুদর্শন চক্র লাগানো আছে। এই সুদর্শন চক্র টি পুরী শহরের যে কোন জায়গা থেকে দেখা যায়। যে কোন বাধা পেরিয়ে খুব সহজেই চক্র দেখা যায়। এই বিষয়টি কিভাবে ঘটে তা রহস্যময়।

Loading...

•মন্দিরের উপর দিয়ে পাখি যায় না

আরেকটি অলৌকিক বিষয় হলো যে এই মন্দিরের উপর দিয়ে এখনো পর্যন্ত কোন পাখিকে উড়ে যেতে দেখা যায়নি এমনকি কোন বিমান ও যেতে দেখা যায়নি। বিষয়টি কেন ঘটে তা কেউ বলতে পারে না। জগতের নাথ এর উপরে কেউ নেই।

পুরীর জগন্নাথ মন্দির

Loading...

জগন্নাথ মন্দির

Loading...

•মন্দিরের উপর হওয়ার গতি

মন্দিরের উপর যে পতাকাটি লাগানো থাকে তা সব সময় বায়ুর গতির বিপরীতে ওড়ে। বিষয়টির কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আজও পাওয়া যায়নি।

•১৮০০ বছরের পুরনো রীতি

আজও পর্যন্ত আঠারোশো বছরের একটি রীতি পালন করা হয়। প্রতিদিন একটি পুরোহিত 45 তলা পার করে মন্দিরের চূড়ায় ওঠেন এবং পতাকা লাগান।

•সমুদ্রের ঢেউ

পুরীতে সমুদ্রের ঢেউয়ে ঘটে উল্টো ঘটনা। সাধারণ জায়গায় সমুদ্রে সকালবেলায় হাওয়া তীরের দিকে আসে এবং বিকেল বেলায় উপকূল থেকে সমুদ্রের দিকে হওয়া যায়। কিন্তু পুরী তে এর উল্টো ঘটনা ঘটে।

•পুরীর জগন্নাথ দেবের প্রসাদ নষ্ট হয় না

পুরীতে জগন্নাথ দেবের বিশেষ প্রসাদ তৈরি হয় যা প্রতিদিন প্রায় দুইহাজার থেকে কুড়ি হাজার পুণ্যার্থী খান। আজও পর্যন্ত এই প্রসাদ কোনদিন নষ্ট হয়নি এবং শেষ হয়নি।

জগন্নাথ

•মন্দিরের ছায়া পড়ে না

বাস্তু শৈলির একটি আশ্চর্য বিষয় হলো পুরীর মন্দির। এই মন্দিরে দিনের কোন সময় ছায়া পড়ে না। বিজ্ঞান ও এর ব্যাখ্যা দিতে পারেনা।

•সিংহদ্বার

পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দির এর মোট চারটি দরজা রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো সিংহদ্বার।এই সিংহদ্বারে প্রবেশ করার আগে পর্যন্ত সমুদ্রের হওয়ার ও গর্জনের শব্দ শোনা যায় এবং ভিতরে প্রবেশ করলে আর কোন শব্দ শোনা যায় না।