Skip to content

মুকেশ আম্বানি কে পেছনে ফেলে এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হলেন গৌতম আদানি

    ভারতের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হলো মুকেশ আম্বানি ইনি এশিয়ার মধ্যে ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে একজন। আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং প্রতিষ্ঠাতা গৌতম আদানি এবার রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের (RIL) চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানিকে পেছনে ফেলে গ্রুপ মার্কেট ক্যাপ দ্বারা এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হয়েছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, আদানি গ্রুপের মার্কেট ক্যাপ রিলায়েন্সকে ছাড়িয়ে গেছে। গৌতম আদানি ভারতের বৃহত্তম তাপ কয়লা উৎপাদনকারী এবং কয়লা ব্যবসায়ী এবং সেইসাথে দেশের বৃহত্তম বন্দর অপারেটর।

    Asia richest man Gautam Adani


    এর আগে, ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার ইনডেক্স অনুসারে, গৌতম আদানির মোট সম্পদ ছিল প্রায় ৮৮.৮ বিলিয়ন ডলার। যেখানে মুকেশ আম্বানির মোট সম্পদ ছিল ৯১ বিলিয়ন ডলার। বার্ষিক আয়ের ভিত্তিতে, গৌতম আদানির সম্পদ ৫৫ বিলিয়ন বেড়েছে সেখানে মুকেশ আম্বানি তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে বিলিয়ন১৪.৩ ডলার।

    Asia second richest man Mukesh Ambani

    কিছুদিন আগে পর্যন্ত আদানি গ্রুপের মার্কেট ক্যাপ ১০ লাখ কোটির উপরে চলে গেছে এবং রিলায়েন্সের মার্কেট ক্যাপ প্রায় ১৫ লাখ কোটি টাকা। কিন্তু গতকালের ক্লোজিং প্রাইস এবং গ্রুপে আদানির উচ্চতর প্রোমোটার শেয়ারের উপর ভিত্তি করে, গৌতম আদানি আজ ইন্ট্রাডের ভিত্তিতে  মুকেশ আম্বানিকে ছাড়িয়ে গেছে। একই সময়ে, মুকেশ আম্বানি দীর্ঘকাল ধরে এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ছিলেন। কিন্তু ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নিয়েছেন গৌতম আদানি।

     

    গত তিনদিন ধরে রিলায়েন্সের শেয়ারদর ঊর্ধ্বমুখী হয়নি। এই সময়ে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ এর দর ১.৪৪ শতাংশ কমে ২৩৫১.৪০ টাকায় বন্ধ হয়েছে। যেখানে তুলনামূলকভাবে আদানি গ্রুপের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে। আদানি পোর্টস, আদানি এন্টারপ্রাইজ, আদানি ট্রান্সমিশন ভালো ব্যবসা করেছে। জানা গেছে, আদানি গ্রুপের ৬টি কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত, যার মধ্যে এই তিনটি কোম্পানি ছাড়াও আদানি গ্রীন, আদানি পাওয়ার এবং আদানি টোটাল গ্যাস রয়েছে।

    এর বাইরে আদানি গ্রুপ তার সপ্তম কোম্পানি আইপিও (Initial Public Offering বা IPO) চালু করার পরিকল্পনা করছে। গত তিন সপ্তাহে আদানি এন্টারপ্রাইজের শেয়ারের দাম দ্রুত বেড়েছে। তার কোম্পানির শেয়ার ২০২১ সালের জুনের পর থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে লেনদেন করছে।