Skip to content

নিরুদ্দেশ বিধায়ক হিরণ! খুঁজে দিলেই মিলবে আকর্ষণীয় পুরস্কার, চারিদিকে পোস্টার এর ছড়াছড়ি

    শুক্রবার খড়্গপুরের বিজেপির বিধায়ক তথা অভিনেতা হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায়ের (MLA Hiran) নামে এক ব্যঙ্গাত্মক পোস্টার দেখা গেল। পোস্টারে ব্যঙ্গ করে লেখা রয়েছে “বিধায়ক নিখোঁজ, খুঁজে দিলেই পুরস্কার!” আবার কোনো কোনো পোস্টারে লেখা রয়েছে , ” বিধায়ক তুমি কোথায়? আমরা খড়্গপুরের কনটেনমেন্ট জোন এ।” আবার কোথাও- ” বিধায়ক কে খুঁজে দিলেই ফ্রিতে সেলফি!” শুক্রবার সকালে এরকম ব্যঙ্গাত্মক পোস্টার দেখে সাধারণ মানুষ রীতিমতো হতবাক। বুঝে উঠতে পারছিল না এই ব্যঙ্গাত্মক পোস্টার কেন?

    এলাকায় এরকম ব্যাঙ্গাত্তক পোস্টার কেন? বিষয়টি জেনে নিন। প্রসঙ্গত খড়গপুর শহরে বেশ কিছু এলাকায় এখনও কনটেইনমেন্ট জোন রয়েছে। এই অবস্থায় এলাকাবাসী যথেষ্ট সমস্যায় আছেন। তবে বেশ কয়েকদিন ধরে এলাকায় বিধায়কের দেখা নেই। তাই শাসকদল তৃণমূল এর তরফ থেকে এই ধরনের ব্যঙ্গাত্মক পোস্টারিং করা হয়েছে। শাসক দল তৃণমূল এর অভিযোগ “নির্বাচনের আগে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিধায়ক হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায় জয়লাভ করেছেন। বর্তমানে মানুষ অত্যন্ত কষ্টে রয়েছেন কিন্তু এদিকে বিধায়কের কোনো দেখা সাক্ষাত নেই।”

    MLA Hiran

    Hiran Chatterjee

    অন্যদিকে কিছু এলাকাবাসীর বলেন, “আমরা কনটেইনমেন্ট জোন এ রয়েছি ,কিন্তু আমাদের বিধায়কের কোন খবর নেই। সকালে দেখি এরকম পোস্টার।” মেদিনীপুর বিজেপির সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অরূপ দাস বলেন ,” এগুলি নোংরামি ছাড়া আর কি! এত জনদরদি বিধায়ক হয় কিনা সন্দেহ। এখন উনি দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। বিধানসভা চলছে তাই সেখান আছেন। এবং খড়্গপুরে থাকলে উনি সর্বদা সাধারণ মানুষের কাজ নিয়ে থাকেন। এছাড়াও বিধায়ক হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায় (MLA Hiran) একবার রিং হতেই ফোন ধরলেন।”

    See also  একদম কম খরচে ঘুরে আসুন এই ৪ টি হিল স্টেশনে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এমনই যে আপনার হৃদয় জুড়িয়ে যাবে!

    MLA Hiran Chatterjee

    তিনি বললেন,” নিখোঁজ মানে কি? মুখোশ ব্যক্তির সাথে কি ফোন করে যোগাযোগ করা যায়? আমরা বিজেপির সকল বিধায়করা বিধানসভায় আছি। অন্যায় ভাবে PAC চেয়ারম্যান করা হয়েছে মুকুল রায় কে। এই বিষয়ে বর্তমানে একটু ব্যস্ত রয়েছি। খড়্গপুরে আমার মন সর্বদা রয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই আমি খড়্গপুরে ফিরব। খড়্গপুরের জন্য কতটা কাজ করেছি তা খড়গপুরবাসী যথেষ্ট জানে। তৃণমূল বিধানসভায় হারার পর পৌরসভা তে হারার ভয়ে এইসব নোংরামি শুরু করেছে।”