সাবধান! প্যারাসিটামল খাওয়ার সঠিক নিয়ম না জানলে পড়বেন বড় বিপাকে

Loading...

আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যাদের সামান্য জ্বর ও গা হাত পা ব্যথা হলেই প্যারাসিটামল (paracetamol) ভরসা। কারণ আমরা জানি এই প্যারাসিটামল একটি নিরাপদ ঔষধ যা আমাদের দেশে বহুল ব্যবহৃত হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন অন্য কথা। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন শরীরের তাপমাত্রা 101°F না হওয়া পর্যন্ত জ্বরের ঔষধ না খাওয়াই ভালো। কারণ এই সমস্ত ভাইরাল ফিভার নিজের থেকেই সেরে যায়। এর জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও সঠিক সময়ে খাবার খাওয়া। সামান্য শরীরের তাপমাত্রা বাড়লে প্যারাসিটামল খেলে শরীরের পক্ষে বিপজ্জনক একথাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাহলে কি প্যারাসিটামল (paracetamol) কখন ও কিভাবে খাওয়া প্রয়োজন? আসুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

1• মাথাব্যথা, গলা ব্যথা , দাঁত ব্যথা, পেশি ব্যথা, ঋতু কষ্ট ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল যথেষ্ট কার্যকর। এই প্যারাসিটামল বাজারে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছড়ায় বিক্রি হয়।তবে চিকিৎসকরা বলছেন পরামর্শ ছাড়া এই প্যারাসিটামল যখন-তখন খেয়ে নেওয়া উচিত নয়।

Loading...

2• প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য 500mg এর ট্যাবলেট অথবা কখনো প্রয়োজন অনুসারে দুটিও খাওয়া যেতে পারে।

Loading...

3• চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী 24 ঘন্টায় সর্বাধিক তিন থেকে চারবার প্যারাসিটামল খাওয়া যেতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে 24 ঘন্টায় প্যারাসিটামল এর 4000mg এর বেশি ডোজ যেন না নেওয়া হয়। কারণ 4000 mg এর বেশি নেওয়া হলে কিডনি ও লিভারের মারাত্মক ক্ষতি হয়।Paracetamol

Paracetamol

4• জ্বর অথবা গা ব্যথা এর ক্ষেত্রে সর্বাধিক তিনদিন পর্যন্ত প্যারাসিটামল খাওয়া যেতে পারে। তবে তিনদিন পর্যন্ত যদি জ্বর ও গা ব্যাথা না কমে সেক্ষেত্রে শীঘ্রই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Loading...

5• যতক্ষণ না শরীরের তাপমাত্রা 101°F এর বেশি হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত কোন ঔষধ না খাওয়াই ভালো। কারণ এই ভাইরাল ফিভার গুলি নিজের থেকে সেরে যায়।

Loading...

6• সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের দাবি, গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকদের পরামর্শ ছাড়া মাত্রারিক্ত প্যারাসিটামল খেলে attention deficit hyperactivity disorder বা autistic spectrum disorder এর মতো মারাত্মক স্নায়ুরোগ দেখা দিতে পারে।

7• শিশুদের বয়স আর ওজন অনুযায়ী প্যারাসিটামল দেওয়া উচিত। যদিও প্যারাসিটামলের সেই রকম কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই তবুও শিশুদের প্যারাসিটামল দেওয়ার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই নিয়ে নেওয়া উচিত।