Skip to content

করোনার এই নতুন প্রজাতি ডবল মিউট্যান্টের থেকেও ১৫ গুন বেশি প্রাণঘাতী ও মারাত্মক

    করোনা ভাইরাস এর তাণ্ডবে গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মৃত্যু মিছিল চলছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই কেরলে এক নতুন প্রজাতির ভাইরাস এর সন্ধান মিলল। সমস্ত দক্ষিণ ভারত জুড়ে এই নতুন প্রজাতির ভাইরাস তাণ্ডব চালাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা এই ভাইরাসটির নাম দিয়েছেন করোনার দক্ষিণ ভারতীয় ভেরিয়েন্ট। Centre for cellular and molecular biology (CCMB) এর গবেষকরা জানিয়েছেন দক্ষিণ ভারতীয় এই নতুন প্রজাতির ভাইরাসটি বেশি প্রাণঘাতী ও অনেক গুন বেশী সংক্রামক।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, সার্স-কভ-2 ডবল মিউটেন্ট ভাইরাস এর থেকেও দক্ষিণ ভারতীয় এই ভাইরাসটি আরো বেশি ক্ষতিকর। CCMB এর গবেষকরা জানিয়েছেন করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পরে এই প্রজাতির ভাইরাসটি দেখা মিলেছে। ভাইরাসটির নাম N440K। এই ভাইরাসটির জিনের বিন্যাস গত বদল শুরু হয়েছে। অত্যাধিক সংক্রামক এর সাথে সাথে মারাত্মক প্রাণঘাতি এই ভাইরাস। CCMB এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দক্ষিণ ভারতের অধিকাংশ করণা পজিটিভ রোগীর নমুনার মধ্যে এই প্রজাতির দেখা মিলেছে।

    করোনার

    coronavirus

    ব্রিটেনের স্ট্রেনের(B.1.1.7) থেকেও রোগীদের নমুনা তে এই প্রজাতির খোঁজ মিলেছে।করোনাই আক্রান্ত রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে দেখা গেছে প্রায় কুড়ি শতাংশ রোগীর মধ্যে এই প্রজাতির খোঁজ মিলেছে।এখনো পর্যন্ত মহারাষ্ট্র সহ দক্ষিণ ভারতের আরো চারটি রাজ্যের এই ভাইরাস বিস্তার লাভ করছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন ব্রিটেনের স্ট্রেনের সঙ্গে জুড়ে গিয়ে এই ভাইরাসের ডবল মিউট্যান্ট হয়েছে। ডবল ভেরিয়েন্ট এ দুটি মিউটেশন হচ্ছে E484Q এবং L452R। ফেব্রুয়ারি মাসে মহারাষ্ট্র তে প্রায় 200 জন করানো আক্রান্ত রোগীর নমুনা পরীক্ষা করে 42 শতাংশ এর মধ্যে এই প্রজাতির খোঁজ মিলেছে।

    See also  না বলিউড না সাউথ, দেশের জন্য সিনেমা তৈরি করতে চাই! এই মন্তব্যে দেশবাসীর মন জয় করলেন অভিনেতা রামচরণ

    করোনার

    corona

    পশ্চিমবঙ্গে করোনা আক্রান্ত রোগীদের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে প্রায় 28 শতাংশের মধ্যে এই ডবল ভারিয়ান্ট মিউট্যান্ট প্রজাতির ভাইরাসের খোঁজ পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, ডবল ভেরিয়েন্ট মিউট্যান্ট প্রজাতির ভাইরাসটি থেকেও N440K ভাইরাসটির মারন ও সংক্রামক ক্ষমতা অনেক গুন বেশী। করোনা আসার প্রথমদিকে বিভিন্ন ভেরিয়েন্ট যেমন A2A স্ট্রেন দশগুণ বেশি ছোঁয়াচে প্রকৃতির ছিল। কিন্তু করোনার A3A এর স্ট্রেন এর থেকেও N440K স্ট্রেন প্রায় হাজার গুণ বেশি সংক্রামক।এই বিষয়ে দেশের গবেষকরা বিজ্ঞানীরা যথেষ্ট চিন্তিত হয়ে আছেন।