Skip to content

কেন বিয়ারের বোতল সব সময় বাদামী বা সবুজ রঙের হয়! জানেন?

    কখনো ভেবে দেখেছেন কিভাবে তৈরি হয় বিয়ার? কিংবা একটা ফ্রিজে কতদিন অবধি ঠিক থাকে? কিংবা বিয়ার খাওয়ার সঠিক পদ্ধতিটি কি? চলুন এই বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত। এই গরমে দিনের শেষে একটু ঠান্ডা বিয়ার খেলেই সমস্ত ক্লান্তি নিমেষে উধাও হয়ে যায়। তবে অনেকেই সংশয়ে ভোগেন। তাদের মনে রোজ প্রশ্ন জন্মায় যে, প্রতিদিন বিয়ার খাওয়া কি ভালো? এতে শারীরিক অবস্থার কোনও ক্ষতি হচ্ছে না তো?

    Beer

    জেনে রাখুন, বিয়ার খেলে লিভার ও কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও নিরাপদ মাত্রায় খেলে তা শরীরের পক্ষে খুবই ভালো। স্পেনের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞানের একদল গবেষক ১৩ বছর গবেষণা চালিয়ে জানিয়েছেন, বিয়ার পরিমিত পান করলে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ও সুস্থতা বজায় থাকে। বিভিন্ন গবেষকদের মতে তাদের গবেষণা থেকে জানা গেছে নিয়মিত বিয়ার পান করা নাকি দুধ পান করার থেকেও ভালো।

    জল ও চা, কফির পরে মানুষের পছন্দের পানীয় হল বিয়ার। আর তাই দিনে দিনে বিয়ার প্রেমীর সংখ্যা বেড়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন সপ্তাহে ১৩.৫ আঙ্ক বিয়ার খাওয়া প্রয়োজন। তা শরীরের জন্য নিরাপদ। এতে কার্ডিওলজিস্ট সিস্টেম ভালো থাকে। হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং হার্টের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে।

    Beer

    পরিমিত বিয়ার পান করায় প্রায় ২১ শতাংশ করে ডায়াবেটিসের সম্ভবনা কম হয় এবং দেখা গেছে এই তুলনায় যারা অ্যালকোহল পান করেন না তাদের ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা বেশি থাকে। বিয়ার হাঁড়ের ঘনত্ব বাড়ায়। বিশেষত পুরুষদের ক্ষেত্রে। সে সঙ্গে হাঁড়ের গঠনেও ভূমিকা আছে বিয়ারের।

    বিয়ার সাধারণত তৈরী হয় বার্লি থেকে। তৈরি হওয়ার সময় বার্লি এনজাইম সুগারের পরিণত হয় আর এই সুগার ফার্মেন্টেশনের সময় অ্যালকোহলে পরিণত হয়। সাধারণ বিয়ারে  ৪.৫ শতাংশ অ্যালকোহল আর প্রতিমিলিতে থাকে মাত্র অর্ধেক ক্যালোরি। আবার স্ট্রং বিয়ারে থাকে ৭ শতাংশ অ্যালকোহল। আর প্রতি মমিলিতে থাকে চারভাগে তিন ভাগ ক্যালরি।

    সাদা কাছের বোতলে বিয়ার লাগলে সূর্যের আলোর সংস্পর্শে এসে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই বিয়ারের স্বাদ, গন্ধ উধাও হয়ে যায়। তাই গবেষণার পর দেখা গিয়েছে, বিয়ার ভালো থাকছে বাদামি রঙের বোতলেই। তাই বাদামি রঙের বোতলেই বিয়ার বন্দি করা শুরু হল।

    Beer

    তারপর বিয়ারের চাহিদা বাড়তেই বাজারে এল সবুজ বোতল। বর্তমানে বিয়ার প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি কাচের বোতলে অতিবেগুনিরশ্মি রোধক কটিন লাগিয়ে দেয়। তার ফলে অনেক দিন অবধি বিয়ানের সাধ ভালো থাকে। একটা সময় ছিল যখন বিয়ার মোটামুটি তিন মাস ভালো থাকত। তবে বর্তমানে বিয়ার প্রেমের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রস্তুতিকরণ প্রক্রিয়া আনা হয়েছে উন্নতি। যার ফলে বারো মাস পর্যন্ত একটা বিয়ার ভালো থাকে। তবে অনেকেই জানেন না, কীভাবে বিয়ার খেতে হয়।

    Beer

     

    বিয়ার খাওয়ার সময় প্রথমে বিয়ার তারপর কোনো খাদ্য জাতীয় খাবার এবং তারপর আবার বিয়ার এইভাবেই সঠিক পদ্ধতি হল বিয়ার খাওয়ার। তবে ভুল করেও ঝাল খাবারের সাথে বিয়ার খাবেন না, ফলে অ্যাসিডির সম্ভাবনা থাকে। বিয়ার কখনো একেবারে নয় বরং ধীরে সুস্থ কোন খাবারের সাথে খাবেন আর গ্লাসে বিয়ার ঢালার পর যে বুদবুদ গুলি রয়েছে, সেগুলি থাকাকালীনই খাবেন, কারণ ওগুলোই বিয়ারকে সতেজ রাখে। বুদবুদ মিশে গেলেই বিয়ারের সতেজতা কমে যায়।