Skip to content

ওষুধ ছাড়া হেঁটেই কমবে ঘাতক কোলেস্টেরল! কী ভাবে, কতক্ষণ হাঁটবেন জেনে নিন সঠিক পদ্ধতি

    img 20220725 173419

    কোলেস্টেরল (cholesterol) হল একটি গুরুতর ভয়াবহ রোগ। এই রোগে আক্রান্ত হলে দেখা দিতে পারে অনেক সমস্যা। তাই এই রোগটি নিয়ে সব মানুষকেই সতর্ক থাকতে হবে। শরীরে যদি এই রোগ একবার দেখা দেয় তাহলে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। এক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাক থেকে শুরু করে স্ট্রোক হওয়ার মতন গুরুতর ভয়াবহ সমস্যার সম্ভবনা রয়েছে। তাই প্রথম থেকেই নিজের শরীরের প্রতি বিশেষভাবে সর্তক থাকা দরকার।

    Cholesterol

    সবচেয়ে বড় মুশকিল হল  কোলেস্টেরল থাকা সত্ত্বেও বেশিরভাগ মানুষ এই রোগটার প্রতি এই সচেতন নন। তারা বুঝেই উঠতে পারেন না তাদের শরীরের মধ্যে এই রোগটি বাসা বাঁধছে। আর সবচেয়ে বড় কথা এই অসুখের কোন অন্যতম লক্ষণ থাকে না। ফলে এই রোগ বিষয়ে সতর্ক না থাকায় মানুষ আরো বেশি আক্রান্ত হয়ে পড়ে।

    তবে জানিয়ে রাখি সব কোলেস্টেরল কিন্তু খারাপ নয়। LDL খারাপ। আর ভালো হল HDL কোলেস্টেরল। এইচডিএল বেশি থাকলেই শরীর ভালো থাকতে পারে। তাই প্রতিটি মানুষকে এই বিষয় নিয়ে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। এই সমস্ত প্রসঙ্গ নিয়েই কলকাতার বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডক্টর, আশিস মিত্র বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন এই রোগটির ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়ই মানুষের শরীরে কোন লক্ষণ থাকে না। তবে রোগটি ধরে নিয়ে সঠিক পদ্ধতিতে তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে, সমস্যা নিশ্চিত।

    কতটা থাকা সঠিক ?

    ডঃ আশিস মিত্র জানিয়েছেন, যদি কারোর শরীরে অন্য কোন রোগের মাত্রা না থাকে, তবে এলডিএল রাখতে হবে ১০০-এর নীচে।  আর যদি স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের সমস্যা থাকে তাহলে, তা ৭০-এর নীচে থাকা দরকার। অপরদিকে ৪৫-এর বেশি থাকতে হবে এইচডিএল। নয়ত অন্যথায় সমস্যায় পড়তে হবে। ডক্টর মিত্র জানিয়েছেন, এই রোগ সাধারণত কোন লক্ষণের মাধ্যমে হয় না। তাই প্রত্যেক মানুষকে সেই টেস্ট করা আবশ্যক। ৩০-এর গোড়ায় বয়স থাকতে থাকতেই এই টেস্ট করুন। এক্ষেত্রে Lipid Profile Test করতে হবে ১২ ঘণ্টা না খেয়ে। এই টেস্টের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হতে পারে।

    See also  বক্স অফিস কাঁপাতে পাঠান ছবির পরিচালক আনছেন নতুন সিনেমা, ছবিতে দেখা যাবে ঋত্বিক-প্রভাস এর ডেডলি কম্বিনেশন!

    অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন হল সঠিক সময়ে হাঁটার  ফলে কি কোলেস্টেরন নিয়ন্ত্রণে থাকা সম্ভব? ডঃ মিত্র জানিয়েছেন, হ্যাঁ অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে থাকবে কিংবা বলা যায় অবশ্যই কোলেস্টেরল কমবে। এই রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য হাঁটা একটি খুবই ভালো সুঅভ্যাস। এমনকি দেখা গেছে, হাঁটার ফলে শরীরে ভালো কোলেস্টেরল দেখা গিয়েছে। প্রতিদিন ৪৫ মিনিট হাঁটুন, তবে অবশ্যই ভালো থাকতে পারবেন। নয়তো সমস্যা বাড়বে বই কমবে না।

    এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাদের ব্রিকস ওয়াক করতে হবে। অর্থাৎ একটু জোরে হেঁটে গা থেকে ঘাম ঝরাতে হবে। তবেই হবে আসল সমস্যা সমাধান। এই রোগে আক্রান্ত মানুষেরা হাঁটার মাধ্যমে যথেষ্ট  ভালো থাকেন। তবে  যাদের ডায়াবেটিস এবং প্রেসার এর মতো রোগ রয়েছে, তাদের ডক্টরের পরামর্শ নেওয়া দরকার। এ যেন কোন ৫০ বছর বয়সের কম  ব্যক্তি যদি হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন তাহলে অবশ্যই সেই মানুষগুলো বিশেষ ডক্টর এবং ওষুধের প্রয়োজন।