করোনার পর আরোও দুই বিপর্যয়ের আভাস পাচ্ছেন Bill Gates, জানালেন আশঙ্কার কথা

Loading...

মাইক্রোসফট এর প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস (Bill Gates) করোনা (COVID-19) এর ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন 2015 সালেই। বিল গেটস 2015 সালে Ted Talk অনুষ্ঠানে বলেন, পরবর্তী প্রকল্পের জন্য আমরা প্রস্তুত নেই। আগামী কয়েক দশকের মধ্যে এক কোটি মানুষ মারা যাবে, কোন মিসাইল নই জীবাণু মানুষকে মেরে ফেলবে। যা যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির থেকেও বেশি ভয়াবহ হবে।

Loading...

 

Bill Gates

2020 সালের মার্চ মাসে করোনা মহামারীর সময় প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস (Bill Gates) এর এই ভিডিও মানুষ দেখে। এবং সম্প্রতি Derek Muller এর জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেল Veritasium এ বিল গেটস ভিডিও কল এ উপস্থিত ছিলেন, এবং তিনি বলেন, আমি আগেই বলেছিলাম যে এরকম পরিস্থিতি হতে চলেছে। কিন্তু আমার এই ভবিষ্যদ্বাণী মিলে যাওয়া নিয়ে আমার কোনো সহানুভূতি নেই।

Loading...

 

Bill Gates
অন্যদিকে Derek Muller বিল গেটস (Bill Gates) এর কাছ থেকে জানতে চান যে কিভাবে তিনি এত টা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন যে এরকম মহামারী আসতে চলেছে। তখন বিল গেটস জানান যে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস সম্পর্কিত আমাদের পরিবেশে নানা ভাইরাস রয়েছে। শিউলি প্রকৃতির নিয়মেই আমাদের জীবনে আসবে। কিছু কিছু ভাইরাস গুলি মানুষের দেহে সংক্রমণ করে ভয়ঙ্কর মহামারীর রূপ নিতে পারে। এবার ঠিক সেটি হল। এছাড়াও তিনি আরো জানান ইবোলা ভাইরাস এ মানুষ আক্রান্ত হলে ব্যক্তি কে বেশিরভাগ সময় হাসপাতালের কাটাতে হবে।

 

Bill Gates

Loading...

Derek Muller বিল গেটসকে আগামী বিপর্যয় সম্পর্কে বলতে বলেন। তখন তিনি বলেন বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনের বিশেষ সমস্যা। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে যে কোন ভাইরাস ঘটিত রোগ বিশেষ মহামারীর আকার নিতে পারে, এবং এই মহামারী অধিক প্রাণহানি ঘটাবে। এ জলবায়ু পরিবর্তন যেকোনো মহামারীর থেকেও বেশি ভয়ঙ্কর।

Loading...

 

অন্য আরেকটি হলো বায়ো-টেররিজম(bio-terrorism)। অর্থাৎ মানুষের কাছে এখন এতটাই ক্ষমতা এসে গেছে যে টাকার জোরে ভাইরাস এর সৃষ্টি করে পরিবেশে সেই ভাইরাস মিলিয়ে দিয়ে মহামারীর সৃষ্টি করা যেতে পারে। অর্থাৎ আমরা বলতে পারি, সন্ত্রাসী (terrorist)যেমন যেমন দেশের শত্রু ঠিক সেইরকম কৃত্রিমভাবে নির্মিত ভাইরাস গুলি পরিবেশের শত্রু হিসেবে কাজ করবে। এটিকে তিনি বায়োটেররিজম হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি আরো জানান ভবিষ্যতে যেসব মহামারী গুলো আসতে চলেছে সেগুলি এতটাই শক্তিশালী হবে যে মানুষের পক্ষে তার ভ্যাকসিন অথবা প্রতিষেধক এর খোঁজ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।