Skip to content

মাত্র 17 বছর বয়সে এই দুর্দান্ত আইডিয়ার জেরে দাঁড় করিয়েছেন কোটি টাকার কোম্পানি

    বর্তমান সভ্যতাতে প্লাস্টিক পরিবেশের জন্য একটি অভিশাপ। এটি আমাদের উর্বর জমিকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে। এর ফলে সৃষ্ট দূষণ মানবজীবনে অত্যন্ত খারাপ প্রভাব ফেলে। প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে অনেক দেশই বিভিন্ন মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করছে। ভারতেও পরিবেশ সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

    এর সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো বর্তমানে অনেক যুবকও এতে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।তাদের একজনের নাম আদিত্য বাঙ্গার। যারা প্লাস্টিক রিসাইকেল করে ফেব্রিকের মতো পণ্য তৈরি করছেন এবং প্রচুর অর্থ উপার্জনও করছেন।

    Aditya Banger

    • কোম্পানির মালিক আদিত্য বাঙ্গার 12 এর ছাত্র।

    আদিত্য বাঙ্গারের বয়স 17 বছর এবং তিনি রাজস্থানের বাসিন্দা। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের কোম্পানিও চালান। আদিত্য বাঙ্গার একজন ইন্টারমিডিয়েটের ছাত্র। তার কোম্পানির নাম ‘ট্র্যাশ টু ট্রেজার’। আদিত্য বাঙ্গার গত বছরের জানুয়ারি মাসে এই সংস্থাটি শুরু করেছিলেন। আদিত্যের কোম্পানিতে, প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করা হয় এবং ফ্যাব্রিক ফাইবারে রূপান্তরিত হয়। 2019 সালে, যখন আদিত্য চীন সফরে গিয়েছিলেন। তখনই তিনি এই ধারণা পান।

    Aditya Banger

    • এভাবেই ধারণা পাওয়া গেল…

    এক সংবাদ মাধ্যমের সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে আদিত্য বলেন, ওই সময় তিনি চীনে আয়োজিত টেক্সটাইল মেলায় অংশ নিতে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের প্রযুক্তি সম্পর্কে দেখেন এবং তারপর এটি সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তথ্য সংগ্রহ করেন। এখান থেকেই তার মাথায় এ কাজ করার চিন্তা আসে। সে সময় ভারতে এ ধরনের প্রযুক্তি খুব কমই ব্যবহৃত হতো। তারই জের ধরে এই কাজ শুরু করেন আদিত্য বাঙ্গার।

    See also  বচ্চন পরিবারের বউ ঐশ্বর্য রায়ের ব্যাক্তিগত সম্পত্তির পরিমাণ দেখলে লজ্জা পাবে ধনকুবেরাও

    Aditya Banger

    • ফ্যাব্রিক ফাইবার থেকে কাপড় তৈরি করা হয়।

    আদিত্য যখন এই কোম্পানিটি চালু করার জন্য তার পরিবারের সাথে আলোচনা করেন, তখন আদিত্য পূর্ণ সমর্থন পান। তারপর আদিত্য তার কাকার সাথে প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার করে ফ্যাব্রিক ফাইবার প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন। তারপর তিনি আদিত্যকে পূর্ণ সমর্থন দেন। আমরা আপনাকে বলি যে আদিত্যের পরিবার আগে থেকেই কাপড়ের ব্যবসা করত। এই কোম্পানির মাধ্যমে আদিত্য তার কোম্পানি শুরু করেন। আদিত্যর এই কোম্পানিতে এখন পর্যন্ত 10 হাজার কেজির বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য ফ্যাব্রিক ফাইবারে রূপান্তরিত হয়েছে।

    আদিত্যের কোম্পানি যা ফ্যাব্রিক ফাইবার তৈরি করে। এটি তার পরিবারের সাথে পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। আজ আদিত্যের কোম্পানিতে শত শত কর্মী কাজ করেন। আদিত্যর মতো প্রতিশ্রুতিশীল যুবক অন্যদের যুবকদের জন্য অনুপ্রেরণা।